Breaking News

ফিলিস্তিন এবং ইজরায়েল সংকট

গত শনিবার ফিলিস্তিন এর মুক্তিকামী মিলিটান্ট বাহিনী ' হামাস্ '  ভোরবেলায় আচমকাই ইজরায়েল সেনাবাহিনী সহ আমলা দের উপর হামলা চালায়। ইজরায়েল এর দ্বারা অত্যাচারিত ও লুণ্ঠিত ফিলিস্তিনিরা স্থল, জল এবং আকাশ পথে বিভিন্ন কৌশলে হামলা চালিয়ে নিজেদের দখলকৃত বেশ কিছু ভূখন্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে । বহু দশক ধরে শোষিত ও লুণ্ঠিত একটা জাতির এই দারুন অদম্যতাই এখন বিশ্ব রাজনীতি কে আবার নাড়িয়ে ফেলেছে। 

উক্ত দিনে গাজা শহরের মুক্তিকামী ' হামাস ' এর মিলিটান্ট রা কয়েক হাজার মিসাইল হামলা করে ইজরায়েল এর দিকে। এই অপ্রত্যাশিত হামলার আন্দাজ না করতে পেরে নাস্তানাবুদ হয়ে উঠতে হয় ইজরায়েল প্রশাসন কে। বেশ কিছু শহরে ভালোমত ক্ষয় ক্ষতি হওয়ার পর ইজরায়েল এর প্রধানমন্ত্রী নেতানিহু ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তাদের জনগনকে সজাগ করেন। 
এর প্রতুত্তরে চলতে থাকে দিনভর বোমাবাজি ও প্রাণ নাশ। ইজরায়েল কতৃক আকাশপথে হামলা হয় ফিলিস্তিনিদের রাজধানী শহর গাজার 'স্ট্রিপে'। এর ফলে নিহত হয় বহু জনগণ( আনুমানিক ৩৫০) এবং আহত হয় কয়েক হাজার মত। এদিকে সূত্রের খবর অনুযায়ী হামাস এর হামলায় এখনো পর্যন্ত ৬০০ জন নিহত হয়েছে এবং ১০০ জন মত ইজরায়েলি কে তারা ' হোস্টেজ ' হিসেবে রেখেছে। 

অন্যদিকে হামাস এর আক্রমন কে নিন্দা জানিয়ে ইজরায়েল এর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে বিভিন্ন দেশ। দখলকারী দেশের হয়ে টুইট এ বার্তা দিয়ে আমাদের রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ফিলিস্তিনিদের ই ' সন্ত্রাসী ' বানিয়ে দিয়েছেন।আমেরিকা সবসময় ইজরায়েল এর পাশে থাকবে এমন টাই জানিয়েছে সে দেশের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন। অন্য দিকে ইরাক এবং ইরান এর জনগণ এই হামলা কে নৈতিক বলে মনে করে উৎসবে মেতে উঠেছে।
এই সমস্ত শক্তিশালী দেশ এর থেকে ইজরায়েল অস্ত্র সরবরাহ পাবে সেটা নিঃসন্দেহে জানা যায়। তাদের আধুনিক যুগের অস্ত্রের সামনে মুক্তিকামী জনগণের অদম্য ক্ষমতা কতখানি টিকে থাকে সেটাই দেখার বিষয়।

No comments

If you have any doubt, pls let me know