Breaking News

ছত্তিশগড়ের সাধারণ নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহন হ্রাস। উত্তপ্ত বিভিন্ন ভোটদান কেন্দ্র!

ছত্তিশগড়ে এই মুহূর্তে চালু রয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। ৭ ই নভেম্বর এবং ১৭ নভেম্বর এই দুই দিনে দুই দফায় ৯০ টি আসনে নির্বাচনের লড়াই জারি রয়েছে।  আগামী ৩ ডিসেম্বর উল্লেখ্য ভোটদানের ফলাফলের দিন ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ছত্তিশগড় রাজ্যে ৯০ টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ৪৬ টি আসন। রাষ্ট্রের দুই প্রধান সংসদীয় দল (রাজ্যে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপি) উক্ত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে চলেছে। উল্লেখ্য ২০১৮ সালের পূর্ববতী নির্বাচনে জাতীয় কংগ্রেসের নেতা ভূপেশ বাঘেল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে সরকার গঠন করে।

আমাদের রাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে এবং ভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন সময়ে ভোটদান প্রক্রিয়া চলতেই থাকে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী  টুইট করে সেই রাজ্যের জনগণকে ভোটদানে অংশগ্রহন করার জন্য অনুরোধ করেন। তবে  ছত্তিশগড়ের সাধারণ জনগণকে সেই একই ধরাবাধা সংসদীয় রাজনীতির প্যাঁচে ফেলা রাষ্ট্রের পক্ষে ততটা সহজ হবে কিনা তাই দেখার বিষয় । সেখানকার মুলনিবাসিরা যে এই নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে অস্বীকার করে তার প্রতিফলন দেখা যায় ভোটবক্সে।
প্রথম দফায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ২০টি আসনের ভোটিং পোল গতবারের তুলনায় ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। গত ৭ই নভেম্বর ছত্তিশগড়ে ভোটদানের হার ছিল মাত্র ৪০ শতাংশ। এর মধ্যে বস্তারে যা পৌঁছেছে মাত্র ২১ শতাংশে। ছত্তিশগড়ের সংখ্যাগরিষ্ট সাধারণ জনগণ যে সংসদীয় রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে বিকল্প রাজনীতির পথ খুঁজছে তা এই পরিসংখ্যান দেখেই বোঝা যায়। 
এদিকে প্রথম দফার ভোটের দিন দফায় দফায় সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠে বিভিন্ন নির্বাচনী অঞ্চল। বিজাপুরে মাওবাদ আদর্শে অনুপ্রাণিত জনগণ ভোট বয়কটের ডাক দিলে রাষ্ট্রীয় বাহিনীর হাতে খুন হতে হয় এক সাধারণ জনগণকে। বস্তার জেলায় ১০ দফায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সাথে ভোট বয়কটকারী জনগণের সংঘর্ষ  বাঁধে । সুকমা জেলায় সংঘর্ষে কিছু জওয়ান আহত ও হয় বলে সূত্রের খবর। উল্লেখ্য ১৭ তারিখে দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ শুরু হবে বাকি আসনে। সেখানকার জনগণ কিভাবে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রতিক্রিয়া রাখে তাই দেখার বিষয়।

No comments

If you have any doubt, pls let me know